বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
যেকোনও মুহূর্তে ইরানে বিমান হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে চীনের অত্যাধুনিক
সিএম-৩০২ সুপারসনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র আনছে ইরান।
সাম্প্রতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি
অনুযায়ী, তেহরান ও বেইজিং এই বিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহের চুক্তির একেবারে শেষ
পর্যায়ে রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্ত হলে পারস্য
উপসাগরসহ লোহিত সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর আধিপত্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
গতি: এটি শব্দের চেয়ে
৩ গুণ বেশি গতিতে (ম্যাক ৩) চলতে পারে। এর অতি উচ্চগতির কারণে শত্রুপক্ষের রাডার বা
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এটিকে শনাক্ত করে ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।
এটি প্রায় ২৯০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে
নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
৯৫ শতাংশ লক্ষ্যভেদে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি মাত্র আঘাতেই
৫,০০০ টনের বড় কোনও যুদ্ধজাহাজ বা ডেস্ট্রয়ার ডুবিয়ে দিতে পারে। প্রতিরক্ষা
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্রটি বিশেষ করে তৈরি করা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী
এবং এজিস (Aegis) সজ্জিত ডেস্ট্রয়ার ধ্বংস করার জন্য। ইরান যদি এই প্রযুক্তির মালিক
হয়, তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজ ও পশ্চিমা যুদ্ধজাহাজগুলোর
নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।